আসুন ৮-৪-৪-৪-৪-৮ পয়েন্টগুলি মনে রেখে আমরা প্রতিরোধযোগ্য অকাল মৃত্যুগুলি ঠেকিয়ে দেই।

আট
===
গর্ভবতী (Pregnant) মায়েদের ৮টি প্রধান বিপদচিহ্ন:-

১. গর্ভাবস্থায়, প্রসব&#">

আসুন ৮-৪-৪-৪-৪-৮ পয়েন্টগুলি মনে রেখে আমরা প্রতিরোধযোগ্য অকাল মৃত্যুগুলি ঠেকিয়ে দেই।

আট
===
গর্ভবতী (Pregnant) মায়েদের ৮টি প্রধান বিপদচিহ্ন:-

১. গর্ভাবস্থায়, প্রসব&#" />

৮-৪-৪-৪-৪-৮

৮-৪-৪-৪-৪-৮

আমিনুল ইসলাম :: কয়েকটি বিপদচিহ্ন যথাসময়ে বুঝতে পারলে গর্ভকালীন সময়ে অনেক মাকে (Pregnant women) মৃত্যুর হাত থেকে রক্ষা করা যায়।
শুধুমাত্র কিছু সচেতনতার অভাব অনেক মাতৃমৃত্যুর করুন কারন।



আসুন ৮-৪-৪-৪-৪-৮ পয়েন্টগুলি মনে রেখে আমরা প্রতিরোধযোগ্য অকাল মৃত্যুগুলি ঠেকিয়ে দেই।


আট
===
গর্ভবতী (Pregnant) মায়েদের ৮টি প্রধান বিপদচিহ্ন:-


১. গর্ভাবস্থায়, প্রসবকালে বা প্রসবের পরে শরীরে পানি আসা।


২.গর্ভাবস্থায়, প্রসবকালে বা প্রসবের পরে ব্লাডপ্রেসার বেড়ে যাওয়া। ( নিয়মিত প্রেসার চেক করাটা জরুরী।)


৩. খুব বেশী মাথা ব্যাথা, চোখে ঝাপসা দেখা।


৪. খিচুঁনী হওয়া।


৫. গর্ভাবস্থায় রক্তস্রাব- তা যত সামান্যই হোক।


৬. প্রসবের সময় বা পরে বেশী রক্তপাত। গর্ভফুল (Placenta) না পড়া।


৭. দীর্ঘস্থায়ী প্রসব ব্যাথা (ব্যাথা ১২ ঘন্টার বেশী থাকা)


৮. ভীষন জ্বর: গর্ভাবস্থায় বা প্রসবের পর ৩ দিনের বেশী জ্বর বা দূর্গন্ধযুক্ত স্রাব।


চার
=====
গর্ভকালীন সময়ে বাহ্যিক কোন সমস্যা থাকুক আর না থাকুক কমপক্ষে চার বার চেক-আপ।


১ম চেক-আপ: যত তাড়াতাড়ি সম্ভব।


২য় চেক-আপ: গর্ভধারনের ৬ মাসের সময় (সাথে টিটেনাসের টীকা)।


৩য় চেক-আপ: গর্ভধারনের ৮ মাসের সময়।


৪র্থ চেক-আপ: গর্ভধারনের ৯ মাসের সময়।


(প্রতিবার চেকআপের সময় বাচ্চার অবস্থা দেখা ছাড়াও মায়ের রক্তচাপ, প্রস্রাব, রক্তশুন্যতা, রক্তের সুগার দেখতে হয়)।


চার 
===
দিনে অন্তত: চার বার সুষম খাবার খেতে হবে


চার
====
চারটি ''দেরী" মাতৃমৃত্যুর অন্যতম কারন।


১. বিপদচিহ্ন বুঝতে দেরী।
২. সিদ্ধান্ত নিতে দেরী।
৩. জরুরী মুহুর্তে যানবাহন পেতে দেরী (গ্রামীন পরিবেশে)।
৪. সেবাকেন্দ্রে সেবা পেতে দেরী।


চার
===
প্রসবের পর চারবার চেক-আপ।


১ম চেক-আপ: প্রসবের ২৪ ঘন্টার মধ্যে।
২য় চেক-আপ: প্রসবের ২ থেকে ৩ দিনের মধ্যে।
৩য় চেক-আপ: প্রসবের ৭ থেকে ১৪ দিনের মধ্যে।
৪র্থ চেক-আপ: প্রসবের ৪২ দিনের মাথায়।


আট
===
নবজাতকের (০ থেকে ২৮ দিন) আটটি বিপদচিহ্ন:-


১. দ্রুত শ্বাস নেয়া বা বুকের খাচা দেবে যাওয়া।
২. খিঁচুনী।
৩. জ্বর বা শরীর ঠান্ডা হওয়া।
৪. মায়ের দুধ টানতে না পারা বা না চোষা।
৫. নেতিয়ে পড়া।
৬. নাভিতে ইনফেকশন (নাভি পেকে যাওয়া)।
৭. জন্মের সময় ওজন ২কেজির (২০০০গ্রাম) কম।
৮. জন্মের পরপর কান্না না করা বা বিলম্বে কান্না করা।


==========
ফুটনোট: 
a.আগে থেকেই চিকিৎসক বা প্রশিক্ষনপ্রাপ্ত ও দক্ষ প্রসবসেবাদানকারীর এবং সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠান/হাসপাতাল/ক্লিনিকের সাথে যোগাযোগ রাখুন।


b.রক্তের গ্রুপ জেনে রাখুন এবং প্রয়োজনে রক্তের জন্য আত্মীয় স্বজনদের তৈরী রাখুন।


c.প্রয়োজনের সময় হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া ও সঙ্গ দেয়ার জন্য স্বজন ও সাথী ঠিক করে রাখুন।


d.প্রসব ব্যাবস্থাপনা, জরুরী চিকিৎসা প্রয়োজনে আলাদাভাবে অর্থ যুগিয়ে রাখুন যাতে সংকটের সময়ে টাকা সংগ্রহ করতে গিয়ে সময় নষ্ট না হয়।


e.গর্ভকালীন চেক-আপের সময়েই প্রসব পরবর্তী পরিবার পরিকল্পনা পদ্ধতি সম্পর্কে জেনে নিন এবং সিদ্ধান্ত নিন।



  1. প্রসবের সাথেসাথেই IUD, ইমপ্লান্ট, টিউবেকটমী, শুধুমাত্র প্রজেষ্টেরন সমৃদ্ধ জন্মনিয়ন্ত্রন বড়ি (Progesterone only pill) গ্রহন করা যায়।

  2. চিকিৎসক/প্রশিক্ষনপ্রাপ্ত ও দক্ষ প্রসবসেবাদানকারীর মোবাইল নম্বর সংগ্রহে রাখুন।

  3. বিশেষ করে গর্ভবতী (Pregnant) মায়েদের ৮টি প্রধান বিপদচিহ্ন মনে রাখা ও দ্রুত চিকিৎসককে জানানো ভীষন জরুরী। এ সচেতনাটুকু জীবন ও মৃত্যুর মাঝে পার্থক্য গড়ে দেয়।


লেখকঃ এফসিপিএস(মেডিসিন), এমডি (চেস্ট ডিজিজ), বংগবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়।

More News

Warning: file_get_contents(http://www.sandwipnews24.com/temp/.php): failed to open stream: HTTP request failed! HTTP/1.1 404 Not Found in /home/sandwipnews/public_html/m/news_details.php on line 77

Warning: Invalid argument supplied for foreach() in /home/sandwipnews/public_html/m/news_details.php on line 79