জটিল হয়ে উঠছে রোহিঙ্গা সমস্যা

জটিল হয়ে উঠছে রোহিঙ্গা সমস্যা

স্বদেশ রায় :: রোহিঙ্গা ঢল যখন নামে, তখন নানান লেখায় নানাভাবেই লিখি—রোহিঙ্গা সমস্যা সহজে ও শিগগিরই সমাধান হবে না। তবে বাংলাদেশের রোহিঙ্গাদের আশ্রয় দেওয়ার কোনও বিকল্প ছিল না। কারণ, বাংলাদেশ যদি তাদের ঢুকতে না দিতো, তাহলে বাংলাদেশও মানবাধিকারবিরোধী কাজ করতো এবং গণহত্যাকারীর অংশ হিসেবে চিহ্নিত হতো। আর রাখাইনে মিয়ানমার সেনাবাহিনীর হাতে মারা গিয়েছিল ২৫ হাজার রোহিঙ্গা; এই মৃতের সংখ্যা তখন কয়েক লাখে গিয়ে পৌঁছাতো। এত বড় একটি গণহত্যা ও মানবিক বিপর্যয় থেকে পৃথিবীর মানব সম্প্রদায়কে বাংলাদেশ, বিশেষ করে বাংলাদেশের নেত্রী শেখ হাসিনা রক্ষা করেছেন। কিন্তু এর বিপরীতে সারা পৃথিবীর মানব সম্প্রদায়ের সচেতন অংশকে যেভাবে বাংলাদেশের পাশে এসে দাঁড়ানো উচিত ছিল, সেভাবে কেউ দাঁড়ায়নি। এর সব থেকে বড় কারণ গোটা পৃথিবীর সমাজ ও রাষ্ট্রের চরিত্র এখন বদলে গেছে। ষাট ও সত্তরের দশকে এ ধরনের মানবিক বিপর্যয়ে বিধ্বস্ত জনগোষ্ঠীর পাশে এসে অনেক রাষ্ট্র ও বিশেষ করে পৃথিবীর সচেতন মানবগোষ্ঠী এসে দাঁড়াতো। এখন এই রাষ্ট্র ও মানুষের সংখ্যা কমে গেছে। কারণ, পৃথিবীতে এখন উদারনৈতিক গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রের সংখ্যা এখন হাতেগোনা দুই-একটি। সবখানেই অনেকটা অটোক্রেটিক-ডেমোক্রেসি চালু হয়েছে, তাই সেটা ধর্মের নামে হোক, বর্ণের নামে হোক, আর অর্থনীতির নামে হোক। আর তারা সবাই জন-সমর্থিত। এর থেকে একটা বিষয় স্পষ্ট, মানুষের চরিত্র বদলে গেছে, মানুষ মানবিকতাকে পাশে ঠেলে রেখে ধর্ম, বর্ণ ও অর্থনীতিকে বড় করে দেখছে—এ কারণেই সমাজের চরিত্র বদলে গেছে। আর সমাজের যে চরিত্র হবে, রাষ্ট্রেরও সেই চরিত্র হবে।

পৃথিবীতে যে সময়ে রাষ্ট্র ও সমাজের চরিত্র এমন, এ সময়ে রোহিঙ্গাদের পাশে এসে দাঁড়ানো মানুষ ও রাষ্ট্রের সংখ্যা কমে যাবে এটাই স্বাভাবিক। ঊনবিংশ ও বিংশ শতাব্দীতে ইউরোপ, আমেরিকায় যে উদারনৈতিক সমাজ সৃষ্টি হয়েছিল, সে সমাজ আজ ক্ষয়িষ্ণু। অন্যদিকে ওই উদারনৈতিক সমাজের পাশাপাশি ছিল সমাজতান্ত্রিক বিশ্ব। যারা নীতিগতভাবে সারা পৃথিবীর নিপীড়িত মানুষের পাশে থাকতো, সেই সমাজতান্ত্রিক রাষ্ট্র আজ অতীতের ইতিহাস। সমাজতন্ত্রের নামে চায়না টিকে আছে ঠিকই, কিন্তু বাস্তবে তারা ক্রোনি ক্যাপিটালিস্ট রাষ্ট্র। তাই এমন একটা পৃথিবীতে কাউকে শুধু মানুষ হিসেবে, নিপীড়িত মানুষ হিসেবে দেখা হবে, এমনটি আশা করা দুরাশাই মাত্র। বরং এ পৃথিবীতে বর্ণে মানুষকে ভাগ করা হচ্ছে, ধর্মে মানুষকে ভাগ করা হচ্ছে, এমনকি মহাসাগরের এপার-ওপার করেও মানুষকে ভাগ করা হচ্ছে। যে সময়ে ধর্মের নামে কোনও মানবগোষ্ঠী বিপর্যস্ত হয়েছে, তখন সেখানে সমর্থন কতভাগ আশা করা যায়। তারপরও একটি অপ্রিয় সত্য হলো, রোহিঙ্গারা বর্ণে কালো ও ধর্মে মুসলিম। তারা মুসলিম শরণার্থী হিসেবেই চিহ্নিত; অন্য কোনও পরিচয়ে নয়। বাংলাদেশে আটকে পড়া পাকিস্তানিদেরও কেউ কিন্তু আটকে পড়া মুসলিম জনগোষ্ঠী বলে না। তাদের আটকে পড়া পাকিস্তানি বলে। কিন্তু রোহিঙ্গাদের কেউ মিয়ানমারের শরণার্থী বলে না, তাদের বলা হয় মুসলিম শরণার্থী। রোহিঙ্গারা যে সময়ে মুসলিম শরণার্থী হিসেবে চিহ্নিত হচ্ছে, এই সময়ে সারা বিশ্বে মুসলিমদের ইমেজ কী? বিশেষ করে মানবতার ডাকে যে ইউরোপ ও আমেরিকা বেশি সাড়া দিয়ে থাকে, তাদের কাছে মুসলিমরা ইমেজ সংকটে। এমন একটি অবস্থায় মুসলিম নামে চিহ্নিত একটি জনগোষ্ঠী যখন শরণার্থী হয়, সে সময়ে তাদের জন্য ইউরোপ ও আমেরিকা থেকে নৈতিক সমর্থন, বিশেষ করে জনগণের সমর্থন আদায় করা খুবই কঠিন। শুধু বর্তমানে অবস্থিত ক্ষয়িষ্ণু উদারনৈতিক বুদ্ধিবৃত্তিক সমাজের সমর্থন পাওয়াই সম্ভব।


আমাদের সরকার হয়তো তেমনটি বুঝে প্রথমেই মুসলিম বিশ্বের দিকে বেশি নজর দিয়েছিল। মুসলিম অধ্যুষিত দেশগুলোর মধ্যে তুরস্ক, ইন্দোনেশিয়া ও সৌদি আরব বেশ সাড়া দিয়েছিল। কিন্তু এখানে সমস্যা হচ্ছে আজ যে সারা পৃথিবীতে মুসলিম সমাজকে জঙ্গি হিসেবে চিহ্নিত করার একটি অপতৎপরতা, এবং লাদেনসহ নানান কারণে যেটা সৃষ্টি হয়েছে এর পেছনে সৌদির এক ধরনের সহায়তা আছে। কারণ, পৃথিবী যে সময়ে আমেরিকা ও সোভিয়েত ইউনিয়নের নেতৃত্বে মোটামুটি দুই ভাগে ভাগ ছিল (যদিও জোটনিরপেক্ষ বলে আরেকটি অবস্থান অনেক দেশের ছিল) ওই সময়ে সমাজতান্ত্রিক বিশ্বকে হটানোর জন্য আমেরিকার মদতেই একটি মুসলিম জঙ্গিগোষ্ঠী গড়ে তোলা হয়। কারণ, সত্যি অর্থে কমিউনিজমের আদর্শের পরে ইসলামই আন্তর্জাতিক। তাই সমাজতন্ত্রের বিপরীতে ইসলামকে বেছে নেয় আমেরিকা। আর এ কথা সত্য, আমেরিকার সব বিষয়ে সব সময়ই সৌদি আরব সমর্থন করে ও অর্থ জোগান দেয়। তাই পরোক্ষভাবে হলেও লাদেনের মতো অনেক জঙ্গিগোষ্ঠী গড়ে তোলার পেছনে সারা পৃথিবীতে সৌদি অর্থ কাজ করেছে। আমেরিকার প্ররোচনায় সৌদি অর্থ যতটা না পৃথিবীতে জঙ্গি তৈরিতে ব্যবহার হয়েছে, তার থেকে অনেক কম ব্যয় হয়েছে সারা বিশ্বের নিপীড়িত মুসলিমের পেছনে। যদি সৌদি অর্থ নিপীড়িত মুসলিমের কল্যাণে ব্যবহার হতো, তাহলে গাজায় প্যালেস্টাইন নারী শিশুরা ওইভাবে অভাবে থাকে না। তারা জলপাই কুড়াতে গিয়ে গুলি খেয়ে মরে না। আর নিপীড়িত মুসলিমদের কল্যাণে বা তাদের পক্ষে আমেরিকাকে কাজে লাগানোর বিষয়েও কখনও কোনও সৌদি উদ্যোগ দেখা যায় না। বরং যদিও গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র ছিল, তারপরেও মুসলিম অধ্যুষিত রাষ্ট্র হিসেবে ইরাকের সাদ্দাম হোসেন সরকারকে অনেক বেশি সহায়তা করতে দেখা গেছে নিপীড়িত যেকোনও জনগোষ্ঠীকে। সে ইরাক এখন আর নেই। তাই বাস্তবে বিশ্ব জনমত গড়ার ক্ষেত্রে মুসলিম বিশ্বের সহায়তা খুব বেশি মিলবে বলে মনে হয় না।


অন্যদিকে আশিয়ান প্রস্তাব নিয়েছে রোহিঙ্গা প্রত্যাবসনের পক্ষে। দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার দেশগুলোতে রোহিঙ্গা প্রত্যাবসনের জন্য ও রোহিঙ্গাদের নিপীড়নের বিরুদ্ধে ছোট ছোট প্রতিবাদ হচ্ছে। সেখানকার পত্রপত্রিকায় কিছু লেখালেখিও হচ্ছে। তবে ইন্দোনেশিয়াসহ দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার এই দেশগুলোর পক্ষে চীনের ওপর কোনও চাপ প্রয়োগ করা সম্ভব নয়। কারণ এই দেশগুলো অর্থনৈতিকভাবে যতই উন্নতি করুক না কেন, বাস্তবে তারা সবাই চীনের অর্থনৈতিক কলোনি। যেমন, মিয়ানমারও চীনের অথনৈতিক কলোনি। এ অবস্থায় চীনকে এ বিষয়ে চাপ দেওয়ার মতো সত্যি অর্থে কোনও দেশ এই মুহূর্তে পৃথিবীতে নেই। সে কারণে রোহিঙ্গা সমস্যা সমাধানের জন্যে চীনের সঙ্গে আরও আলোচনার পাশাপাশি পশ্চিমা বিশ্বের দৃষ্টি কাড়তে হবে। পশ্চিমা বিশ্বের একটি কার্যকর উদ্যোগ অনেকটা কাজে লাগবে। আর এক্ষেত্রে কেবল পাশে পাওয়া যেতে পারে ভারতকে। মিয়ানমারের সঙ্গে ভারতের অনেক ব্যবসায়িক সম্পর্ক। মিয়ানমার যেমন চীনের বাজার, তেমনি ভারতেরও বাজার। ভারত সেখানে বিপুল পরিমাণ সমরাস্ত্র বিক্রি করে। আবার ভারত মিয়ানমার থেকে তেল, কাঠসহ অনেক কাঁচামাল কেনে। তারপরেও ভারতকে পাশে পাওয়া যাবে। এর একমাত্র কারণ রোহিঙ্গারা যেমন এ মুহূর্তে বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তার হুমকি হয়ে দেখা দিচ্ছে, তেমনি তারা ভবিষ্যতে ভারতেরও অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তার হুমকি হবে। গত পঁচিশ আগস্টের রোহিঙ্গাদের সমাবেশের পরে তাদের আর শুধু শরণার্থী হিসেবে বিবেচনা করার কোনও সুযোগ নেই। তারা যে বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক ও উদারনৈতিক পরিবেশের সুযোগ নিয়ে একটি সুসংগঠিত শক্তি হওয়ার চেষ্টা করছে, সেটা এখন স্পষ্ট। রোহিঙ্গারা এমন সুসংগঠিত শক্তি হলে সেখানে অনেক সমস্যা সৃষ্টি হতে পারে। প্রথমত, তাদের প্রত্যাবাসনের ক্ষেত্রে আলোচনার সুযোগ অনেক কমে যাবে। কারণ, মিয়ানমার প্রত্যাবাসন নিয়ে আলাপ করবে বাংলাদেশের সঙ্গে এবং বাংলাদেশে তারা রোহিঙ্গাদের শরণার্থী ছাড়া অন্য কোনোভাবে দেখলে তখন তাদের আলোচনায় আনা অনেক জটিল হয়ে যাবে। তাছাড়া বাংলাদেশেরও তাদের এভাবে সুসংগঠিত কোনও শক্তি হিসেবে আত্মপ্রকাশ করতে দেওয়ার কোনও সুযোগ নেই। বাংলাদেশ তাদের মানবিক কারণে গণহত্যা থেকে বাঁচানোর জন্য আশ্রয় দিয়েছে। তাদের কোনোরূপ কোনও আন্দোলনে সহায়তা করার জন্য বাংলাদেশ মোটেই দায়বদ্ধ নয়। আর এমন কোনও ঘটনা বাংলাদেশ সৃষ্টি করবে না, যা নিয়ে প্রতিবেশী মিয়ানমারের সঙ্গে বা চীনের সঙ্গে বাংলাদেশের সম্পর্কের অবনতি ঘটে বা বাংলাদেশকে কোনও সমস্যায় জড়িয়ে পড়তে হয়। দ্বিতীয়ত, রোহিঙ্গারা যদি কোনও সুসংগঠিত শক্তি হিসেবে একটি সমুদ্র রুটের কাছে অবস্থান নেয়, তাহলে তারা স্বাভাবিকভাবে নানান অপকর্মের সঙ্গে জড়িয়ে পড়বে। যার কিছু কিছু লক্ষণ ইতোমধ্যে দেখা যাচ্ছে। রোহিঙ্গা শিবিরের অনেকেই মাদকসহ নানান চোরাচালানে জড়িত হয়ে পড়েছে। ইতোমধ্যে তারা তাদের কাজের বাধা হতো এমন একজন রাজনৈতিক নেতাকে হত্যাও করেছে। তাছাড়া আরাকানের স্বাধীনতার জন্য গঠিত সংগঠন আরসা’র অনেক সদস্য রোহিঙ্গা শিবিরে শরণার্থী হিসেবে আছে। তারা এই সুযোগে নিজেদের শক্তি সঞ্চয় করবে। আর আরসা শক্তি সঞ্চয় করলে সেখানে কোনও না কোনোভাবে পাকিস্তান ঢুকে পড়বে। যেটা হবে বাংলাদেশের জন্যে আরও বড় বিপদ। আর রোহিঙ্গারা যদি এ ধরনের শক্তি হয়, তখন চীনও কোনও মতেই এই সমস্যা সমাধানে এগিয়ে আসবে না। অন্যদিকে আমাদের বাংলাদেশে জামায়াতসহ বেশ কিছু অশুভ জঙ্গি শক্তি আছে, যারা শুরু থেকে রোহিঙ্গাদের এদিকে নিয়ে যেতে চাচ্ছে– বাংলাদেশের একটি অঞ্চলকে অস্থিতিশীল করার জন্যে। তারা যে রোহিঙ্গাদের এই সমাবেশের পেছনে আছে সে বিষয়টি স্পষ্ট এ কারণে যে, এতবড় একটি সমাবেশের অর্থ জোগান হলো কোথা থেকে?


তাই রোহিঙ্গাদের এভাবে আশ্রয় পাওয়া শরণার্থী থেকে এ ধরনের একটি শক্তিতে রূপান্তরিত হওয়ার আগেই বাংলাদেশ সরকারকে বিষয়টিতে গভীর মনোযোগ দিতে হবে। পাশাপাশি প্রতিবেশী চীন ও ভারতসহ বিশ্বের অন্যান্য শক্তিকে এই সমস্যা সমাধান করার জন্যে এগিয়ে আসতে হবে দ্রুত। তা না হলে যদি কোনোমতে রোহিঙ্গা শিবির এই এলাকার অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তা নষ্টের জন্যে একটি বিশেষ গোষ্ঠী তৈরির বীজক্ষেত্র হয়, তাহলে সেটা থেকে শেষ অবধি কেউই রক্ষা পাবে না। মনে রাখা দরকার, ইতোমধ্যে কিন্তু রোহিঙ্গা সমস্যা সমাধান বেশ জটিল হয়ে উঠেছে। (বাংলাট্রিবিউনে প্রকাশিত)।

More News

প্রত্যেক টিআইএনধারীকে রিটার্ন দাখিলে বাধ্য করা হবে প্রত্যেক টিআইএনধারীকে রিটার্ন দাখিলে বাধ্য করা হবে

কর শনাক্তকরণ নম্বর বা টিআইএনধারী সবাইকে ফোন করে রিটার্ন দাখিলের জন্য বাধ্য করা হবে বলে জানিয়েছেন জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) চেয়ারম্যান মো. মোশাররফ হোসেন ভূঁইয়া।


রবিবার ‘জাতীয় ভ্যাট দিবস ও ভ্যাট সপ্তাহ ২০১৯’ উদযাপন উপলক্ষে আয়োজ&........ বিস্তারিত

রোহিঙ্গা ক্যাম্পে কাঁটাতারের বেড়া নির্মাণ কাজ শুরু করেছে সেনাবাহিনী রোহিঙ্গা ক্যাম্পে কাঁটাতারের বেড়া নির্মাণ কাজ শুরু করেছে সেনাবাহিনী

রোহিঙ্গা আশ্রয় শিবিরগুলোকে অপরাধ নিয়ন্ত্রণে কাঁটাতারের বেড়া নির্মাণের কাজ শুরু করেছে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী।


এ সিদ্ধান্তকে শুধু স্থানীয়রা নয়, রোহিঙ্গারাও সাধুবাদ জানিয়েছে। আর এর ফলে সন্ত্রাস, জঙ্গি ঝুঁকি কমার পাশাপাশি রোহিঙ্গাদ&........ বিস্তারিত

৬ ডিসেম্বার, ১৯৭১ : 'বাংলাদেশ স্বাধীন' - ভারত ৬ ডিসেম্বার, ১৯৭১ : 'বাংলাদেশ স্বাধীন' - ভারত

১৯৭১ সালের ৬ ডিসেম্বর দিনটি ছিল সোমবার। একাত্তরের এই দিন রণাঙ্গনের অবস্থা আরও উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। সম্মিলিত মিত্রবাহিনীর আক্রমণে দিশেহারা হানাদার বাহিনী সূর্য ওঠার আগেই বিভিন্ন সীমান্ত ঘাঁটি থেকে পালাতে থাকে। মুক্তিবাহিনী ও মিত্রবাহ........ বিস্তারিত

বছরের প্রথম দিনই চার কোটি ৩০ লাখ শিক্ষার্থীর হাতে তুলে দেয়া হবে  ৩৫ কোটি বই বছরের প্রথম দিনই চার কোটি ৩০ লাখ শিক্ষার্থীর হাতে তুলে দেয়া হবে ৩৫ কোটি বই

 ১১ বছরে বিতরণ করা হয়েছে ৩৩১ কোটি; সরকারের ব্যয় ৯ হাজার কোটি টাকার বেশি; প্রায় শতভাগ শিশুর উপস্থিতি আন্তর্জাতিক পরিম-লেও প্রশংসা কুড়াচ্ছে; ৯৯ শতাংশ বই পৌঁছে গেছে উপজেলা পর্যায়ে


 


জনকণ্ঠ :: আগামী ’২০ শিক্ষাবর্ষে প্রাক-প্রাথমিক ও মাধ্........ বিস্তারিত

স্পেন সফর শেষে ঢাকার পথে প্রধানমন্ত্রী স্পেন সফর শেষে ঢাকার পথে প্রধানমন্ত্রী

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা জাতিসংঘ জলবায়ু পরিবর্তন (কপ ২৫) ২৫তম বার্ষিক সম্মেলনের ‘রাষ্ট্র ও সরকার প্রধানদের’ শীর্ষ সম্মেলনে যোগদানের জন্য স্পেনে তাঁর তিনদিনের সরকারী সফর শেষে আজ সকালে দেশের উদ্দেশে মাদ্রিদ ত্যাগ করেছেন।
প্রধানমন্........ বিস্তারিত

ব্যর্থ হলে শিশুরা ক্ষমা করবে না, বিশ্বনেতাদের হাসিনা ব্যর্থ হলে শিশুরা ক্ষমা করবে না, বিশ্বনেতাদের হাসিনা

বাংলানিউজ :: জলবায়ু পরিবর্তনের ক্ষতি মোকাবিলায় বিশ্ব নেতাদের প্রতি মুহূর্তের নিষ্ক্রিয়তা মানবজাতিকে ধ্বংসের দিকে নিয়ে যাচ্ছে উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, নিরাপদ ভবিষ্যৎ নিশ্চিত করতে ব্যর্থ হলে নতুন প্রজন্ম আমাদের õ........ বিস্তারিত

মাদ্রিদে শুরু হলো জলবায়ু সম্মেলন কপ-২৫, যোগ দিচ্ছেন শেখ হাসিনা মাদ্রিদে শুরু হলো জলবায়ু সম্মেলন কপ-২৫, যোগ দিচ্ছেন শেখ হাসিনা

স্পেনের রাজধানী মাদ্রিদে শুরু হলো জাতিসংঘের জলবায়ু সম্মেলন কপ-২৫।


আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম জানায়, সোমবার (০২ ডিসেম্বর) শুরু হওয়া দু’সপ্তাহব্যাপী এ সম্মেলন চলবে আগামী ১৩ ডিসেম্বর পর্যন্ত।


চিলিতে অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা থাকলেও দেশটিö........ বিস্তারিত

দুর্নীতি, সন্ত্রাস ও মাদকের বিরুদ্ধে অভিযান অব্যাহত থাকবে - প্রধানমন্ত্রী দুর্নীতি, সন্ত্রাস ও মাদকের বিরুদ্ধে অভিযান অব্যাহত থাকবে - প্রধানমন্ত্রী

দুর্নীতির বিরুদ্ধে অভিযান অব্যাহত রাখার ঘোষণা দিয়ে একইসঙ্গে সন্ত্রাসবাদ, জঙ্গিবাদ ও মাদকের বিরুদ্ধে সরকারের চলমান অভিযানও চালু রাখার অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, সমাজের এই ‘অসুস্থতা’ নির্মূল করা হবে........ বিস্তারিত

চলতি মাসে একাধিক শৈত্যপ্রবাহের সম্ভাবনা চলতি মাসে একাধিক শৈত্যপ্রবাহের সম্ভাবনা

চলতি ডিসেম্বর মাসে দেশে এক বা একাধিক মৃদু থেকে মাঝারি ধরনের শৈত্যপ্রবাহের সম্ভাবনা রয়েছে বলে আবহাওয়া অফিস জানিয়েছে।


আবহাওয়াবিদ আব্দুল হামিদ সোমবার জানান, চলতি মাসের মাঝামাঝি এবং মাসের শেষভাগে দেশে এক বা একাধিক মৃদু থেকে মাঝারি মা&#........ বিস্তারিত

অনলাইন সংবাদ মাধ্যমের নিবন্ধন শুরু আগামী সপ্তাহে: তথ্যমন্ত্রী অনলাইন সংবাদ মাধ্যমের নিবন্ধন শুরু আগামী সপ্তাহে: তথ্যমন্ত্রী

আগামী সপ্তাহ থেকে অনলাইন সংবাদ পোর্টালগুলোর নিবন্ধন শুরু হবে বলে জানিয়েছেন তথ্যমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ। সোমবার দুপুরে সচিবালয়ে নিজ দপ্তরে সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময়কালে তিনি এ তথ্য জানান।


মন্ত্রী বলেন, ‘দেশে যে অনলাইন সংবাদ পোর........ বিস্তারিত

বাড়ি ভাড়া নির্ধারণ নিয়ে হাইকোর্টের রুল বাড়ি ভাড়া নির্ধারণ নিয়ে হাইকোর্টের রুল

‘ভাড়া নিয়ন্ত্রক’ নিয়োগসহ বাড়িভাড়ার বিদ্যমান অসঙ্গতি দূর করে মানসম্মত বাড়ি ভাড়া নির্ধারণে সুপারিশ প্রণয়নে অনুসন্ধান আইন, ১৯৫৬ এর ৩(১) ধারা অনুযায়ী অনুসন্ধান কমিশন গঠনের নির্দেশ কেন দেওয়া হবে না, তা জানতে চেয়েছেন হাইকোর্ট।


একইসঙ্গে &........ বিস্তারিত

রোহিঙ্গা ইস্যুতে রিয়াদ সবসময় বাংলাদেশের পাশে থাকবে রোহিঙ্গা ইস্যুতে রিয়াদ সবসময় বাংলাদেশের পাশে থাকবে

সৌদি আরব সশস্ত্র বাহিনীর চিফ অব জেনারেল স্টাফ (সিজিএস) জেনা........ বিস্তারিত

রাষ্ট্রপতির সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর সাক্ষাৎ রাষ্ট্রপতির সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর সাক্ষাৎ

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আজ সন্ধ্যায় বঙ্গভবনে রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন।
রাষ্ট্রপতির প্রেস সচিব মো. জয়নাল আবেদীন বাসসকে বলেন, “সাক্ষাতের সময় প্রধানমন্ত্রী ২৫-২৬ অক্টোবর আজারবাইজানের বাকুতে জোট নিরপ........ বিস্তারিত

বিশ্বব্যাপী উদযাপন হবে বঙ্গবন্ধুর জন্মশতবার্ষিকী বিশ্বব্যাপী উদযাপন হবে বঙ্গবন্ধুর জন্মশতবার্ষিকী

শুধু বাংলাদেশ নয়, বিশ্ব জুড়ে নানা আয়োজনের মধ্য দিয়ে উদযাপিত হবে জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবার্ষিকী গত সোমবার ইউনেস্কোর সদর দপ্তর প্যারিসেবিস্তারিত

আওয়ামী লীগের এবারের সম্মেলন ঘিরে যে দুটি বিষয় বেশি গুরুত্ব রাখে আওয়ামী লীগের এবারের সম্মেলন ঘিরে যে দুটি বিষয় বেশি গুরুত্ব রাখে

স্বদেশ রায় :: আওয়ামী লীগের সম্মেলন শুধু মাত্র আওয়ামী লীগের রাজনীতিতে গুরুত্ব রাখে না, জাতীয় রাজনীতিসহ দেশের ইতিহাসেও এর গুরুত্ব অপরিসীম। কারণ, ইতিহাসের নানান বাঁক পেরিয়ে এখন বাংলাদেশের জনগণের ভেতর দিয়ে উঠে আসা রাজনৈতিক দল একটাই, সেটা আ........ বিস্তারিত

জলদস্যুতার সর্বোচ্চ শাস্তি যাবজ্জীবন কারাদণ্ডের বিধান রেখে 'বাংলাদেশ মেরিটাইম অঞ্চল আইন' মন্ত্রিসভায় অনুমোদন জলদস্যুতার সর্বোচ্চ শাস্তি যাবজ্জীবন কারাদণ্ডের বিধান রেখে 'বাংলাদেশ মেরিটাইম অঞ্চল আইন' মন্ত্রিসভায় অনুমোদন

জলদস্যুতার সর্বোচ্চ শাস্তি যাবজ্জীবন কারাদন্ডের বিধান রেখে ‘বাংলাদেশ মেরিটাইম অঞ্চল আইন-২০১৯’র খসড়ায় নীতিগত অনুমোদন দিয়েছে মন্ত্রিসভা। সোমবার তেজগাঁওয়ে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে মন্ত্রিসভার নিয়মিত বৈঠকে এই অনুমোদন দেয়া হয়। ........ বিস্তারিত

অপপ্রচারে কান না দিতে প্রধানমন্ত্রীর আহ্বান অপপ্রচারে কান না দিতে প্রধানমন্ত্রীর আহ্বান

বাসস :: প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা গুজবে কান না দেয়ার জন্য জনগণের প্রতি আহবান জানিয়ে বলেছেন, গুজব ছড়িয়ে জনগণকে বিভ্রান্ত করার অপচেষ্টা চালানো হচ্ছে।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘মাঝে মাঝে আমরা দেখি, অপপ্রচার চালিয়ে বিভ্রান্তি সৃষ্টি করা হয়। আম........ বিস্তারিত

রক্তচোষা ব্যবসায়ী ও গুজব রটনাকারী দুই-ই সমান অপরাধী রক্তচোষা ব্যবসায়ী ও গুজব রটনাকারী দুই-ই সমান অপরাধী

স্বদেশ রায় :: সরকারের মুখপাত্র হিসেবে তথ্যমন্ত্রী হাছান মাহমুদ ১৯ নভেম্বর এক আলোচনা সভায় বক্তব্য রাখার সময় জানিয়ে দিয়েছেন, পেঁয়াজের দাম বাড়ার সঙ্গে জড়িত ব্যবসায়ীদের চিহ্নিত করে তাদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে। পেঁ........ বিস্তারিত

দেশে ফিরেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা দেশে ফিরেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা

দুবাই এয়ার শোতে যোগদান শেষে দেশে ফিরেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। মঙ্গলবার রাত ১০টা ৫৫ মিনিটে ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণ করেছেন। এর আগে স্থানীয় সময় বিকেল ৪টা ৪৫ মিনিটে দুবাই আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে ঢাõ........ বিস্তারিত

গুজব রটনাকারীদের বিরুদ্ধে সারাদেশে সাঁড়াশি অভিযান গুজব রটনাকারীদের বিরুদ্ধে সারাদেশে সাঁড়াশি অভিযান

জনকণ্ঠ :: ফেসবুকের মাধ্যমেই সারাদেশে পেঁয়াজের পর খাবার লবণ নিয়ে গুজব ছড়ানো হয়েছে। যারা ফেসবুকের মাধ্যমে গুজব ছড়িয়েছে, ইতোমধ্যেই তাদের শনাক্ত করার কাজ শুরু হয়েছে। যারা ফেসবুকে লবণ নিয়ে গুজব ছড়াতে নানাভাবে উৎসাহিত করেছেন তাদেরও শনাক্ত ........ বিস্তারিত

প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে আবুধাবির যুবরাজের সৌজন্য সাক্ষাত,  আমিরাতের শ্রমবাজার খুলে দেয়ার ইঙ্গিত প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে আবুধাবির যুবরাজের সৌজন্য সাক্ষাত, আমিরাতের শ্রমবাজার খুলে দেয়ার ইঙ্গিত

পাঁচ বছরের নিষেধাজ্ঞা তুলে নিয়ে সংযুক্ত আরব আমিরাত বাংলাদেশী শ্রমিকদের জন্য সেখানকার শ্রমবাজার পুনরায় খুলে দেয়ার ইঙ্গিত দিয়েছেন। দুবাই ওয়ার্ল্ড সেন্টারে দুবাই এয়ার শো ২০১৯-এর ফাঁকে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে আবুধাবির যুবরা........ বিস্তারিত

ক্ষুদ্র ঋণের কাঙ্ক্ষিত সুফল মানুষ পায়নি : প্রধানমন্ত্রী ক্ষুদ্র ঋণের কাঙ্ক্ষিত সুফল মানুষ পায়নি : প্রধানমন্ত্রী

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা দারিদ্র্য বিমোচনের ক্ষেত্রে ক্ষুদ্র ঋণের ব্যর্থতার কথা তুলে ধরে বলেছেন, কেউ কেউ এর প্রবক্তা হিসেবে নাম-যশ কামালেও বাস্তবতা হচ্ছে যে দেশের জনগণ এর অতটা সুফল পায়নি।


তিনি বলেন, ‘এক সময় আমরা দেখেছি ক্ষুদ্র ঋণ নি........ বিস্তারিত

সব অপরাধীদের বিরুদ্ধে সরকার কঠোর অবস্থানে রয়েছে : সংসদে প্রধানমন্ত্রী সব অপরাধীদের বিরুদ্ধে সরকার কঠোর অবস্থানে রয়েছে : সংসদে প্রধানমন্ত্রী

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, দুর্নীতিসহ সব ধরনের অপরাধীদের বিরুদ্ধে সরকার কঠোর অবস্থানে রয়েছে।


তিনি বলেন, ‘আওয়ামী লীগ সরকার দেশে আইনের শাসন নিশ্চিত করে উন্ননের ধারাবাহিকতা অক্ষুন্ন রাখার লক্ষ্যে নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে। দø........ বিস্তারিত

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় তূর্ণা -ঊদয়ন সংঘর্ষ, নিহত ১৫ আহত শতাধিক ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় তূর্ণা -ঊদয়ন সংঘর্ষ, নিহত ১৫ আহত শতাধিক


ব্রাহ্মণবাড়িয়ার কবসায় দুই ট্রেনের মুখোমুখি সংঘর্ষের ঘটনায় শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত ১৫ জনের লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। এই সংখ্যা আরো বাড়তে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। আহত হয়েছেন শতাধিক যাত্রী। ঘটনা তদন্তে তিন সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন কর&#........ বিস্তারিত

দূর্বল হয়ে পড়ছে 'বুলবুল', বন্দরসমূহে ৩ নং সতর্ক সংকেত দূর্বল হয়ে পড়ছে 'বুলবুল', বন্দরসমূহে ৩ নং সতর্ক সংকেত

বাংলাদেশের উপকূলে প্রবাহিত হওয়া ঘুর্ণিঝড় ‘বুলবুল’ বাগেরহাট, বরিশাল ও পটুয়াখালী অঞ্চলে অবস্থান করে স্থল নিন্মচাপে পরিনত হয়েছে।  এটি আরও সামান ̈ পূর্ব-উত্তরপূর্ব দিকে অগ্রসর হয়ে আজ বিকাল ৩:০০ টায় বরিশাল, পটুয়াখালী, ভোলা অঞ্চলে ........ বিস্তারিত

খুনীদের জন্য এত মায়া কান্না কেন খুনীদের জন্য এত মায়া কান্না কেন

জেলহত্যা দিবসের আলোচনায় প্রধানমন্ত্রীর জিজ্ঞাসা ; ১৫ আগস্ট ও ৩ নবেম্বর হত্যাকান্ডের নেপথ্যের ষড়যন্ত্রকারীরাও একদিন ধরা পড়বে, রহস্যও উদ্ঘাটিত হবে


জনকণ্ঠ :: প্রধানমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগ সভানেত্রী শেখ হাসিনা কারাবন্দী খালেদা জিয়ার না........ বিস্তারিত

জেএসসি ও জেডিসি পরীক্ষা শুরু জেএসসি ও জেডিসি পরীক্ষা শুরু

কোন ধরনের অভিযোগ ছাড়াই শান্তিপূর্ণভাবে দেশজুড়ে শুরু হয়েছে অষ্টম শ্রেণীর জুনিয়র স্কুল সার্টিফিকেট (জেএসসি) ও জুনিয়র দাখিল সার্টিফিকেট (জেডিসি) পরীক্ষা। শনিবার পরীক্ষার প্রথম দিনে ছিল না প্রশ্নপত্র ফাঁস, কিংবা ভুল প্রশ্ন বিতরণসহ বড় ধর&........ বিস্তারিত

অপরাধ করে কেউ পার পাবে না, ধরা হবে সবাইকে - প্রধানমন্ত্রী অপরাধ করে কেউ পার পাবে না, ধরা হবে সবাইকে - প্রধানমন্ত্রী

জনকণ্ঠ :: প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা চলমান দুর্নীতিবিরোধী অভিযানকে ‘আইওয়াশ’ বলে বিএনপির অভিযোগ সরাসরি নাকচ করে দিয়ে তাদের উদ্দেশে পাল্টা প্রশ্ন ছুড়ে দিয়ে বলেছেন, যারা (বিএনপি) আপাদমস্তক দুর্নীতিবাজ, যাদের বিরুদ্ধে খুন-দুর্নীতি-অগ্নিস&#........ বিস্তারিত

ন্যাম সম্মেলনে যোগদান শেষে ফিরেছেন প্রধানমন্ত্রী ন্যাম সম্মেলনে যোগদান শেষে ফিরেছেন প্রধানমন্ত্রী

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ১৮তম জোট নিরপেক্ষ আন্দোলনের (ন্যাম) সম্মেলনে যোগ দিতে আজারবাইজানে চার দিনের সরকারী সফর শেষে রবিবার সন্ধ্যায় দেশে ফিরেছেন।


প্রধানমন্ত্রী ও তার সফরসঙ্গীদের বহনকারী বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের একটি বিশেষ........ বিস্তারিত

ন্যাম সম্মেলনে যোগ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী ন্যাম সম্মেলনে যোগ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী

উন্নয়নশীল দেশগুলোর জোট নিরপেক্ষ আন্দোলন-ন্যামের অষ্টাদশ শীর্ষ সম্মেলনে যোগ দিয়েছেন বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।


শুক্রবার সকালে আজারবাইজানের বাকু কংগ্রেস সেন্টারে আনুষ্ঠানিকভাবে এ সম্মেলনের উদ্বোধন হয়।


১২০টি উ÷........ বিস্তারিত

আরও ১টি সিটি কর্পোরেশন, ১টি পৌরসভা ও ৭টি থানার অনুমোদন আরও ১টি সিটি কর্পোরেশন, ১টি পৌরসভা ও ৭টি থানার অনুমোদন

প্রশাসনিক পুনর্বিন্যাস সংক্রান্ত জাতীয় বাস্তবায়ন কমিটি (নিকার) সভায় শর্ত সাপেক্ষে ফরিদপুর সিটি কর্পোরেশন (এফসিসি), সাতটি নতুন পুলিশ থানা এবং একটি পৌরসভা গঠনের অনুমোদন দেয়া হয়েছে।


প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সভাপতিত্বে আজ ২১ অক্টো........ বিস্তারিত

সবচেয়ে সুবিধাজনক অবস্থায় বাংলাদেশের অর্থনীতি সবচেয়ে সুবিধাজনক অবস্থায় বাংলাদেশের অর্থনীতি

বাংলাদেশের অর্থনীতির সবচেয়ে সুন্দর সময় অতিক্রম করছে বলে জানিয়েছেন অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল। তিনি বলেছেন,বৈশ্বিক অর্থনৈতিক অবস্থার প্রেক্ষাপটে এখন সবচেয়ে সুবিধাজনক অবস্থানে রয়েছে বাংলাদেশ।


শুক্রবার ঢাকায় প্রাপ্ত এক সংব&........ বিস্তারিত

র্যা গিংয়ের শিকার হলে নালিশ করুন, বিচার হবে : আইনমন্ত্রী র্যা গিংয়ের শিকার হলে নালিশ করুন, বিচার হবে : আইনমন্ত্রী

শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোতে র‌্যাগিংয়ের নামে নির্যাতন শিকার হয়ে কেউ নালিশ জানালে প্রচলিত আইনেই তার বিচারের আশ্বাস দিয়েছেন আইনমন্ত্রী আনিসুল হক।


বুয়েটছাত্র আবরার ফাহাদকে নির্যাতন চালিয়ে হত্যার প্রেক্ষাপটে বুধবার সচিবালয়ে ইউরো÷........ বিস্তারিত

আরও দু'টি মেট্রোরেল রাজধানীতে আরও দু'টি মেট্রোরেল রাজধানীতে

রাজধানীতে যানজট নিরসনসহ গতিশীলতা বাড়াতে আরও দুটি মেট্রোরেল হচ্ছে। মঙ্গলবার ৯৩ হাজার ৮০০ কোটি টাকা ব্যয়ে প্রকল্পটি অনুমোদন করেছে জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটির (একনেক)।


ক্ষমতা ভোগ করার জন্য নয়, মানুষের সেবা করার ব্রত নিয়েই কাজ করে যাচ্ছেন বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।
তিনি বলেন, ক্ষমতা ভোগ করার জন্য নয়, মানুষের সেবা করার ব্রত নিয়েই কাজ করে যাচ্ছ........ বিস্তারিত

কাল রাজশাহী যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী কাল রাজশাহী যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা রবিবার রাজশাহী যাচ্ছেন। এদিন তিনি রাজশাহীর চারঘাট উপজেলার সারদায় বাংলাদেশ পুলিশ একাডেমিতে সহকারী পুলিশ সুপারদের প্রশিক্ষণ সমাপনী কুচকাওয়াজ অনুষ্ঠানে অভিবাদন গ্রহণ এবং প্যারেড পরিদর্শন করবেন। পুলিশ এক........ বিস্তারিত

এসএমই খাতে ঋণ ও অন্যান্য সুবিধা বাড়ছে এসএমই খাতে ঋণ ও অন্যান্য সুবিধা বাড়ছে

জনকণ্ঠ :: ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্প (এসএমই) খাতের উদ্যোক্তাদের সুবিধা বাড়াতে একটি নীতিমালা অনুমোদন দিয়েছে মন্ত্রিসভা। এতে এসএমই খাতের উদ্যোক্তাদের ঋণ ও অন্যান্য সুবিধা বৃদ্ধি পাবে। এছাড়া সভায় ‘বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন কর্পোরেশন ........ বিস্তারিত

আমরা কৃষিকেও গুরুত্ব দেই, আবার শিল্পকেও গুরুত্ব দেই - শেখ হাসিনা আমরা কৃষিকেও গুরুত্ব দেই, আবার শিল্পকেও গুরুত্ব দেই - শেখ হাসিনা

বিজিএমইএ পরিচালনা পর্ষদের নবনির্বাচিত সদস্যদের উদ্দেশ্যে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, আমাদের কিছু লোক আছে অনবরত আমাদের বিরুদ্ধে প্রপাগান্ডা চালায়। এটা আপনাদের অ্যাড্রেস করতে হবে। যার জন্য ক্ষতিগ্রস্ত আপনারা হন।


আজ বুধবার প্........ বিস্তারিত