আজ ভয়াল ২৫ মার্চ, জাতীয় গণহত্যা দিবস

আজ ভয়াল ২৫ মার্চ, জাতীয় গণহত্যা দিবস

মানব ইতিহাসের অন্যতম বর্বর নিষ্ঠুরতম গণহত্যার একটি রাত। একাত্তরের ২৫শে মার্চের সেই রাত। গভীর রাতের নিস্তব্ধতার মধ্যে হঠাৎই ট্যাংকের গর্জন শুনতে পায় শহরবাসী। পাখির ডাক নয়, বাংলাদেশ তথা তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তানের লাখ লাখ জনসাধারণ জেগে ওঠে অনবরত গোলাগুলির শব্দে। বিশ্ব ইতিহাসের নৃশংসতম এবং বৃহত্তম এক গণহত্যার সূচনা হয় এভাবেই, যা পরিচালনা করেছিল তৎকালীন পাকিস্তানের সামরিক স্বৈরাচার জেনারেল ইয়াহিয়া খান।

দশদিন ব্যাপী পাকিস্তানের সরকার সামরিক বাহিনীর সদস্যসংখ্যা, অস্ত্রশস্ত্র ইত্যাদি বিপুল পরিমাণে আমদানী করছিল পশ্চিম পাকিস্তান থেকে এই ভূখণ্ডে। এসবই ঘটছিল বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সঙ্গে যখন ক্ষমতাসীন সরকারের আলোচনা চলছিল নির্বাচিত প্রতিনিধিদেরকে হাতে কীভাবে ক্ষমতার হস্তান্তর ঘটবে তার নেপথ্যে। যার মূল উদ্দেশ্য ছিল বাঙালি জাতীয়তাবাদকে ধূলিসাৎ করে দেয়া।

সারাদিন ধরেই আওয়ামী লীগের নেতৃবৃন্দ জেনারেল এসজিএমএম পীরজাদার টেলিফোনের অপেক্ষা করছিলেন, যার প্রতিশ্রুতি তিনি দিয়েছিলেন ক্ষমতা হস্তান্তরের আগে সংবিধানে প্রয়োজনীয় সংশোধন প্রস্তাবের প্রেক্ষিতে। কিন্তু সেই ফোন আর আসেনি।

সারা বিকাল ধরে পাকিস্তানী সামরিক কর্মকর্তারা সারা দেশে হেলিকপ্টারে টহল দিতে থাকে, সকল ধরনের সামরিক সংস্থার সদস্যদের বার্তা দিতে থাকে অবশ্যম্ভাবী এক সামরিক অপারেশনের জন্য সদাপ্রস্তুত থাকতে।

গোধূলি অতিক্রান্ত হবার সাথে সাথেই গুজব ছড়িয়ে যায় সরকারের বিরুদ্ধে সামরিক শক্তিপ্রয়োগ শুরু হবে যেকোনো সময়। দলের সহকর্মী এবং অন্যান্য অনেকেই বঙ্গবন্ধুর সাথে সাক্ষাৎ করতে ধানমণ্ডি ৩২ নম্বরে তার বাসভবনে চলে যান। তিনি তাঁর পক্ষ থেকে সকলকে ঢাকা ত্যাগ করার উপদেশ দেন। কিন্তু তিনি স্পষ্ট করে দেন, তিনি কোথাও যাচ্ছেন না, তিনি এর ব্যাখ্যা হিসেবে বলেন, যদি তিনি তা না করেন, সামরিক বাহিনী ঢাকাকে গুড়িয়ে দেবে।

অত্যন্ত গোপনীয়তার সাথে রাষ্ট্রপতি ইয়াহিয়া খান সন্ধ্যা সাতটার দিকে পাকিস্তানি ইন্টারন্যাশনাল এয়ারলাইনসের একটি ফ্লাইটে করে করাচি ফিরে যান। সমস্ত আয়োজনই ছিল পরবর্তীতে কুখ্যাত ‘অপারেশন সার্চলাইট’ সম্পন্ন করার সর্বাত্মক প্রস্তুতি। বিমানে চড়ার আগেই উচ্চতর সামরিক কমান্ডকে নির্দেশ দিয়ে যান বাঙালিদের বিরুদ্ধে অপারেশন শুরু করতে, তবে তা রাষ্ট্রপতি করাচিতে অবতরণের আগে নয়। পূর্ব পাকিস্তানের সামরিক আইন প্রশাসক জেনারেল টিক্কা মেজর জেনারেল খাদেম হোসেন রাজাকে এই বার্তাই দেন।

“খাদেম, ইটস টুনাইট”, বলেন টিক্কা, যা ছিল বাঙালিদের উপর সামরিক আক্রমণ শুরুর প্রথম ইঙ্গিত।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা এবং ঢাকার সাধারণ জনতা শহরের বিভিন্ন প্রান্তে সামরিক সেনাদের সম্ভাব্য আক্রমণ রুখে দিতে ব্যারিকেড দিতে থাকেন। কিন্তু কারও ধারণাই ছিল না কী ব্যাপক আকারের ভয়ানক এক আক্রমণ সামরিক বাহিনী পরিকল্পনা করে রেখেছিল।

রাত ১১টা থেকে সাড়ে এগারোটা নাগাদ পাকিস্তান আর্মি বাংলাদেশের জনগণকে আক্রমণের জন্য বেরিয়ে আসতে থাকে। সামরিক বাহিনীর বিভিন্ন ইউনিট রাস্তায় মার্চ করতে করতে বিভিন্ন গন্তব্যের দিকে ধাবিত হয়। রাতের অন্ধকারে ট্যাংক, সাঁজোয়া গাড়ি বহর এবং ট্রাকভর্তি সৈন্য নিয়ে রাতের নিস্তব্ধতা ভেঙে এগিয়ে চলে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার, রেসকোর্স ময়দান (যেখানে কালী মন্দির অবস্থিত), হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টাল (বর্তমানে রূপসী বাংলা) এবং পুরান ঢাকার দিকে।

আরেকটি বহর এগিয়ে যায় ধানমণ্ডির দিকে এগিয়ে চলে। উদ্দেশ্য তাদের, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে বন্দী করা।

অন্যান্য ইউনিটগুলো ধ্বংসলীলা চালায় রেসকোর্স ময়দানের কেন্দ্রে অবস্থিত কালী মন্দিরে এবং কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে। আরও কিছু বাহিনী আওয়ামী লীগের উচ্চ পর্যায়ের নেতৃবৃন্দকে বন্দী করতে যায়, যাদের অধিকাংশই গ্রেফতার এড়াতে সক্ষম হয়েছিলেন।

সামরিক কিছু কন্টিনজেন্ট আক্রমণ চালায় রাজারবাগ পুলিশ হেডকোয়ার্টা এবং পিলখানায় অবস্থিত ইস্ট পাকিস্তান রাইফেলসে।

পাকিস্তান আর্মি এভাবে ঢাকায় হাজারো নিরীহ মানুষকে নির্বিচারে হত্যা করে। তাদের নৃশংসতায় শিক্ষাবিদ, শিক্ষার্থী, পুলিশ, ইস্ট পাকিস্তান রাইফেলের সদস্য এবং ঘুমন্ত রিকশাওয়ালা কেউই রক্ষা পায়নি, শত শত গুলি আর বেয়োনেটে ক্ষতবিক্ষত হয় তারা। প্রথম প্রহরেই যে ধ্বংসযজ্ঞ শুরু হয় কালী মন্দির ও শহীদ মিনার থেকে, তা পরবর্তী নয় মাস জুড়ে অসংখ্য গণহত্যা ও ধ্বংসযজ্ঞের মাধ্যমে পৃথিবীর ইতিহাসে ন্যাক্কারজনক নজীর স্থাপন করে। প্রথিতযশা শিক্ষাবিদদের মধ্যে যারা নিহত হন তাঁদের অন্যতম ছিলেন, শ্রদ্ধেয় জিসি দেব এবং পণ্ডিত জ্যোতির্ময় গুহঠাকুরতা। ঢাকা বিশ্ব বিদ্যালয়ের ছাত্রদের লাইনে দাঁড় করিয়ে, গুলি করে মেরে, তারপর গণকবর খুড়ে, দ্রুত মাটি চাপা দেয়া হয় সেখানেই।

বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে গ্রেফতার করা হয় এবং তাঁকে বন্দী করে রাখা হয় তৎকালীন দ্বিতীয় রাজধানীর (বর্তমানের শের-এ-বাংলানগর) নির্মাণাধীন ন্যাশনাল অ্যাসেম্বলী বিল্ডিংয়ে। তারপর তাঁকে সরিয়ে নেয়া হয় ক্যান্টনমেন্টের আদমজী কলেজে, যেখানে তাঁকে সেই রাতে আটকে রাখা হয়, এবং পরবর্তীতে তাঁকে নিয়ে যাওয়া হয় ফ্ল্যাগস্টাফ হাউজে। তিন দিন পরে তাঁকে বিমানে করে বন্দী করে নিয়ে যাওয়া হয় পশ্চিম পাকিস্তানে, মিয়ানওয়ালি জেলে তাঁকে আলাদাভাবে বন্দী করে রাখা হয়।
সারা দেশে শুরু হয় ত্রাসের রাজত্ব।

More News

ভারতের উপহারের ২০ লাখ ভ্যাকসিন গ্রহণ করলেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী ভারতের উপহারের ২০ লাখ ভ্যাকসিন গ্রহণ করলেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী

ভারতের জনগণের পক্ষ থেকে বাংলাদেশের জনগণের জন্য উপহার পাঠানো ২০ লাখ ভ্যাকসিন বাংলাদেশে নিযুক্ত ভারতীয় হাইকমিশনার বিক্রম দোরাইস্বামীর কাছ থেকে গ্রহণ করেছেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক।


এ সময় উপস্থিত ছিলেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ কে আব্দুল মোমেন ও প্রতিমন্ত্রী মো. শাহরিয়ার আলম।


বৃহস্পতিবার (২১ জানুয়ারি) রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন পদ্মায় বেলা ১ টা ৩৭ মিনিটে আনুষ্ঠানিকভাবে এ ভ্যাকসিন হস্তান্তর অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়।



এ সময় ভারতীয় হাইকমিশনার বিক্রম দোরাইস্বামী বলেন, ‘বাংলাদেশ ও ভারত একসঙ্গে ........ বিস্তারিত

সরকারের সময়োচিত পদক্ষেপের ফলে কোভিডকালে বিশ্বমন্দা এড়াতে পেরেছে বাংলাদেশ : প্রধানমন্ত্রী সরকারের সময়োচিত পদক্ষেপের ফলে কোভিডকালে বিশ্বমন্দা এড়াতে পেরেছে বাংলাদেশ : প্রধানমন্ত্রী

প্রধানমন্ত্রী ও সংসদ নেতা শেখ হাসিনা বলেছেন, করোনাভাইরাসকালে মানুষের জীবন ও অর্থনৈতিক সংকট মোকাবিলায় সরকারের বিশেষ পদক্ষেপের ফলে বিশ্বব্যাপী চলমান অর্থনৈতিক মন্দার অনেকটাই বাংলাদেশ এড়াতে পেরেছে।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘করোনা পরিস্থিতিতে অন্য অনেক দেশে অর্থনৈতিক মন্দা দেখা দিলেও বাংলাদেশ তা অনকটাই এড়াতে পেরেছে এবং মানুষের জীবন ও অর্থনৈতিক সংকট মোকাবিলায় সরকারের বিশেষ পদক্ষেপের ফলে দেশে করোনাভাইরাস পরিস্থিতি সহ অর্থনৈতিক অবস্থা স্বাভাবিক রাখা সম্ভব হয়েছে।’
প্রধানমন্ত্রী ও সংসদ নেতা শেখ হাসিনা আজ একাদশ জাতীয় ........ বিস্তারিত

নামতে পারে বৃষ্টি, বাড়বে শীতের প্রকোপ নামতে পারে বৃষ্টি, বাড়বে শীতের প্রকোপ

ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে গুঁড়ি গুঁড়ি বৃষ্টি হতে পারে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর। বৃষ্টির পর বাড়বে শীত পড়বে কুয়াশা।


আবহাওয়াবিদ আব্দুর রহমান জানান, বুধবার মধ্যরাত থেকে বৃহস্পতিবার রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে গুঁড়ি গুঁড়ি বৃষ্টি হতে পারে। এ সময়ে পশ্চিমা লঘুচাপের প্রভাবে এ ধরনের বৃষ্টি হয়। দিনের যে কোনো সময়ে গুঁড়ি গুঁড়ি বৃষ্টি হবে। এতে মাঘ মাসের শীতের অনিুভূতি বেশি হবে।


বৃষ্টির পর শুক্রবার থেকে ফের আরেক দফা শীতের প্রকোপ বাড়বে বলে জানান এ আবহাওয়াবিদ।মাঘ মাসের প্রথম সপ্তাহে রাজধানীসহ দেশের সর্বত্র শীত বে........ বিস্তারিত

১৮ জানুয়ারী : দেশে নতুন শনাক্ত ৬৯৭, মারা গেছেন ১৬, সুস্থ ৭৩৬ জন ১৮ জানুয়ারী : দেশে নতুন শনাক্ত ৬৯৭, মারা গেছেন ১৬, সুস্থ ৭৩৬ জন

দেশে করোনাভাইরাস শনাক্তের ৩১৬তম দিনে ২৪ ঘন্টায় এই ভাইরাসে নতুন শনাক্ত হয়েছেন ৬৯৭ জন। আক্রান্ত হয়ে মৃত্যুবরণ করেছেন ১৬ জন, তাদের মধ্যে পুরুষ ১২ জন ও নারী ৪ জন। এই সময়ে সুস্থ হয়েছেন ৭৩৬ জন।
গতকালের চেয়ে আজ ৭ জন কম মৃত্যুবরণ করেছে। গতকাল ২৩ জন মৃত্যুবরণ করেছিলেন। এখন পর্যন্ত দেশে এ ভাইরাসে মৃত্যুবরণ করেছেন ৭ হাজার ৯২২ জন। করোনা শনাক্তের বিবেচনায় আজ মৃত্যুর হার ১ দশমিক ৫০ শতাংশ। গতকালও মৃত্যুর হার ছিল ১ দশমিক ৫০ শতাংশ । আজ স্বাস্থ্য অধিদফতরের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানানো হয়েছে।
অধিদপ্তরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক (প্রশ........ বিস্তারিত

বছরের প্রথম অধিবেশন শুরু, সন্ত্রাস-জঙ্গিবাদ নির্মূলে আরও ঐক্যবদ্ধ হতে আহবান জানালেন রাষ্ট্রপতি বছরের প্রথম অধিবেশন শুরু, সন্ত্রাস-জঙ্গিবাদ নির্মূলে আরও ঐক্যবদ্ধ হতে আহবান জানালেন রাষ্ট্রপতি

একাদশ জাতীয় সংসদের শীতকালীন বছরের প্রথম অধিবেশন শুরু হয়েছে সোমবার বিকেল সাড়ে ৪টায় অধিবেশন শুরু হয় এটি চলতি সংসদের ১১তম অধিবেশন


স্পিকার শিরীন শারমিন চৌধুরীর সভাপতিত্বে জাতীয় সংসদ অধিবেশনের শুরুতে রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ ভাষণ দিয়েছেন। রাষ্ট্রপতির আগমনের ঘোষণা দিলে সশস্ত্র বাহিনীর একটি বাদক দল বিউগলে ‘ফ্যানফেয়ার’ বাজিয়ে রাষ্ট্রপতিকে সম্ভাষণ জান........ বিস্তারিত

১৬ জানুয়ারী : আজ করোনায় শনাক্ত ৫৭৮, মৃত ২১, সুস্থ ৬৩৩ ১৬ জানুয়ারী : আজ করোনায় শনাক্ত ৫৭৮, মৃত ২১, সুস্থ ৬৩৩

দেশে গত ২৪ ঘন্টায় ১২ হাজার ২১৫ জনের নমুনা পরীক্ষায় ৫৭৮ জনের দেহে করোনার সংক্রমন পাওয়া গিয়েছে।মৃত্যুবরণ করেছেন ২১ জন, তাদের মধ্যে পুরুষ ১৩ জন ও নারী ৮ জন। এই সময়ে সুস্থ হয়েছেন ৬৩৩ জন।
গতকালের চেয়ে আজ ৮ জন বেশি মৃত্যুবরণ করেছেন। গতকাল ১৩ জন মৃত্যুবরণ করেছিলেন। এখন পর্যন্ত দেশে এ ভাইরাসে মৃত্যুবরণ করেছেন ৭ হাজার ৮৮৩ জন। করোনা শনাক্তের বিবেচনায় আজ মৃত্যুর হার ১ দশমিক ৪৯ শতাংশ। গত ৮ জানুয়ারি থেকে মৃত্যুর একই হার বিদ্যমান রয়েছে।
আজ স্বাস্থ্য অধিদফতরের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানানো হয়েছে।
অধিদপ্তরের অতিরিক্ত মহাপরি........ বিস্তারিত

সন্দ্বীপসহ ৬০ পৌরসভার ভোটগ্রহণ সম্পন্ন, চলছে গণনা সন্দ্বীপসহ ৬০ পৌরসভার ভোটগ্রহণ সম্পন্ন, চলছে গণনা

শান্তিপূর্ণ পরিবেশে দ্বিতীয় ধাপে দেশের ৬০টি পৌরসভায় ভোটগ্রহণ সম্পন্ন হয়েছে। সকাল ৮টা থেকে ভোটগ্রহণ শুরুহয়ে চলে বিকেল ৪টা পর্যন্ত। ভোটকেন্দ্রগুলোতে এখন গণনা চলছে।
এই ধাপে দেশের ৬০টি পৌরসভার মধ্যে ২৮টিতে ইলেকট্রনিক ভোটিং মেশিনে (ইভিএম) ভোটগ্রহণ করা হয়।
নির্বাচন কমিশন (ইসি) সচিবালয়ের যুগ্ম-সচিব এসএম আসাদুজ্জামান জানান, দ্বিতীয় ধাপের জন্য ইসি প্রথমে ৬১টি পৌরসভার তফসিল ঘোষণা করলেও নীলফামারীর সৈয়দপুরের ভোটগ্রহণ স্থগিত করা হয়। অংশগ্রহণকারী একজন মেয়র প্রার্থীর মৃত্যুতে সেখানে ভোট স্থগিত করা হয়েছে।
তিনি জানান, সুষ্ঠু........ বিস্তারিত

চলতি মাসেই আসছে ভ্যাক্সিন, প্রয়োগে প্রস্তুত ৪২ হাজার কর্মী চলতি মাসেই আসছে ভ্যাক্সিন, প্রয়োগে প্রস্তুত ৪২ হাজার কর্মী

করোনার টিকা প্রয়োগে ৪২ হাজার কর্মীর হাজার টিম প্রস্তুত বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ জাতির পিতার অসাম্প্রদায়িক, ক্ষুধা-দারিদ্র্যমুক্ত উন্নত-সমৃদ্ধ সোনার বাংলাদেশ গড়তে