প্রতিবেশী বাংলাদেশের কাছ থেকে শিখতে পারে শ্রীলঙ্কা

প্রতিবেশী বাংলাদেশের কাছ থেকে শিখতে পারে শ্রীলঙ্কা

সাগিশ্বরা সেনাধিরা :: শ্রীলঙ্কা এখন এক ভয়াবহ অর্থনৈতিক ও রাজস্ব ঘাটতিজনিত সংকট মোকাবিলা করছে। দেশটি এ নরক থেকে বের হওয়ার পথ খুঁজতে গিয়ে হিমশিম খাচ্ছে। ইতোমধ্যে আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল (আইএমএফ) তাকে কিছু গাইডলাইন দিয়েছে; তবে আঞ্চলিক অভিজ্ঞতা থেকেও শ্রীলঙ্কা তার এ সমস্যার একটা সমাধান পেতে পারে, যে অভিজ্ঞতা বিশেষ করে তৃতীয় বিশ্বের পুনরুজ্জীবনপ্রত্যাশী একটা দেশের জন্য অনেক বেশি বাস্তবায়নযোগ্য হতে পারে।

দক্ষিণ এশিয়ায় শুধু শ্রীলঙ্কা নয়; পাকিস্তান, নেপালও গুরুতর অর্থনৈতিক ও রাজস্ব সংক্রান্ত সংকট মোকাবিলা করছে। শক্তিশালী রিজার্ভের কারণে ভারতের অর্থনীতিকে মজবুত মনে হলেও দেশটি কিন্তু বিদ্যুৎ সংকটের কারণে ঘন ঘন লোডশেডিংয়ের আশ্রয় নিতে বাধ্য হচ্ছে। ১৯৯১ সালে ভারত শ্রীলঙ্কার মতোই এক সংকটের মুখে পড়েছিল। তখন অর্থমন্ত্রী ছিলেন ড. মনমোহন সিং। তিনি বেশ ভালোভাবেই তা মোকাবিলা করেছিলেন। বলা যেতে পারে, তার এ সাফল্যই কংগ্রেস যখন পরবর্তী সময়ে ক্ষমতায় ফিরে আসে তখন তাকে প্রধানমন্ত্রীর পদ পেতে সহায়তা করেছিল। এটা ঠিক, শ্রীলঙ্কার মতো একটা ছোট দেশকে ভারতের সঙ্গে তুলনা করাটা খুব যুক্তিসংগত কিছু নয়; কারণ ভারত হলো একটা আঞ্চলিক পরাশক্তি; বিশাল ভূখণ্ড ও জনসংখ্যার কারণে তার অর্থনীতির রেজিলিয়েন্স বা আঘাত সহ্য করার ক্ষমতা অনেক বেশি।

তবে শ্রীলঙ্কা বাংলাদেশের সাফল্যগাথা থেকে শিক্ষা নিতে পারে। বিশ্বব্যাংকের সর্বশেষ প্রতিবেদন অনুসারে, উন্নয়ন ও সমৃদ্ধির ব্যাপারে বাংলাদেশ একটা দারুণ নজির তৈরি করেছে। গত ১০ বছরে (২০১০-২০২০) দেশটি বিশ্বের সবচেয়ে গতিশীল অর্থনীতিগুলোর একটি বলে পরিচিতি পেয়েছে। এটা সম্ভব হয়েছে দেশটির জনসংখ্যার বোনাস কাল (ডেমোগ্রাফিক ডিভিডেন্ড), তেজি তৈরি পোশাক খাতনির্ভর রপ্তানি আয়, রেমিট্যান্স ও স্থিতিশীল সামষ্টিক অর্থনীতির কারণে। শ্রীলঙ্কার মতো বাংলাদেশের অর্থনীতিও করোনাকালে নিম্নমুখী প্রবণতার শিকার হয়েছিল; কিন্তু উপযুক্ত ব্যবস্থাপনার কল্যাণে দ্রুতই তা ঘুরে দাঁড়ায়। তবে বাংলাদেশের এ সাফল্যগাথা অত্যন্ত প্রশংসনীয় এ কারণে যে, ১৯৭১ সালে জন্ম নেওয়ার পর দেশটি ছিল বিশ্বের সবচেয়ে দরিদ্র দেশগুলোর একটি। ওই সময়ে মুক্তিযুদ্ধের কারণে দেশটির অবকাঠামো ও শিল্প খাত মারাত্মক ধ্বংসযজ্ঞের শিকার হয়েছিল।

একটা গরিব দেশ হিসেবে যাত্রা করে দেশটি মাত্র চার বছরে স্বল্পোন্নত দেশের পর্যায়ে উঠে আসে। আর গত এক দশকের দ্রুত উন্নয়ন কর্মকাণ্ডের বদৌলতে দেশটি ইতোমধ্যে নিম্ন-মধ্যম আয়ের দেশে পরিণত হয়েছে। দেশটি ২০২৬ সালে জাতিসংঘের স্বল্পোন্নত দেশের তালিকা থেকে বের হয়ে যাচ্ছে। দৈনিক মাথাপিছু আয় ১ দশমিক ৯ মার্কিন ডলার হিসেবে দারিদ্র্য মাপার যে আন্তর্জাতিক মানদণ্ড আছে, সে হিসেবে দেশটিতে ১৯৯১ সালে দারিদ্র্যের হার ছিল ৪৩ দশমিক ৫ শতাংশ; আর ২০১৬ সালে তা কমে দাঁড়িয়েছে ১৪ দশমিক ৩ শতাংশে। তা ছাড়া, মানব উন্নয়নের বিভিন্ন সূচকেও দেশটি ব্যাপক উন্নতি করেছে।

নেপাল, শ্রীলঙ্কা, পাকিস্তান যেখানে অর্থনীতি সামলাতে খাবি খাচ্ছে; বাংলাদেশ সেখানে বিশ্বের উন্নয়নশীল দেশগুলোর জন্য একটা মডেল স্থাপন করেছে। মেগা প্রকল্পগুলোর দ্রুত বাস্তবায়নের ব্যাপারে বাংলাদেশ চাইলে এখন গর্ব করতে পারে। সেখানে গ্রামাঞ্চলে নগরের সুযোগ-সুবিধা নিশ্চিত করার কাজ চলছে। রাজধানীর বিভিন্ন জায়গায় উড়াল সড়ক দেখা যায়। মেট্রোরেলও খুব শিগগির চালু হচ্ছে। প্রমত্ত পদ্মার ওপর নিজস্ব অর্থায়নে নির্মিত বিশাল দৈর্ঘ্যের সেতু এখন আর কোনো স্বপ্ন নয়।

কৌশলগত ও আন্তর্জাতিক বিষয়াবলির বিশ্নেষক ও গবেষক জন রোজারিও বলেছেন, বাংলাদেশ সরকার দেশটির অগ্রগতি সাধনে দারুণ প্রজ্ঞা ও দূরদৃষ্টির পরিচয় দিয়েছে। এ কারণেই দেশটি একেবারে নিঃশঙ্ক চিত্তে বড় বড় উন্নয়ন প্রকল্প নিতে পারছে। বর্তমানে সেখানে দেশব্যাপী একশ অর্থনৈতিক অঞ্চল প্রতিষ্ঠার কাজ চলছে। ট্র্যাক রেকর্ড ভালো হওয়ায় দেশটি বেশ ভালো পরিমাণ বিদেশি বিনিয়োগও পাচ্ছে। এটা এখন বলাই যায়, দেশটির অর্থনীতি বেশ মজবুত ভিত্তির ওপর দাঁড়িয়ে আছে।
ক্রমবর্ধমান আমদানি ব্যয় সত্ত্বেও বাংলাদেশের বৈদেশিক মুদ্রার সঞ্চয় এখন ৪৫ বিলিয়ন মার্কিন ডলারের ওপরে। আর, দেশটির অর্থমন্ত্রী আলি সাবরির মতে, শ্রীলঙ্কার আছে মাত্র দুই বিলিয়ন মার্কিন ডলারের এক ভান্ডার, যার মধ্যে আবার মাত্র ৫০ মিলিয়ন ডলার তার হাতে আছে। কাজেই বাংলাদেশ কোনোভাবেই শ্রীলঙ্কার সঙ্গে তুলনীয় নয়।

এমনকি করোনা মহামারির আগেও বাংলাদেশের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি পাকিস্তানের চেয়ে অনেক বেশি ছিল- ২০১৮-১৯ অর্থবছরে দেশটি ৭ দশমিক ৮ শতাংশ প্রবৃদ্ধি অর্জন করেছে, যেখানে পাকিস্তানের প্রবৃদ্ধি ছিল ৫ দশমিক ৮ শতাংশ। বিশ্বব্যাংক, ওয়ার্ল্ড ইকোনমিক ফোরাম, ইকোনমিক ইন্টেলিজেন্স ইউনিটসহ বহু আন্তর্জাতিক সংস্থা বাংলাদেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নকে 'বিস্ময়কর ধাঁধা' বলে উল্লেখ করেছে।

রোজারিওর মতে, বাংলাদেশ হলো অলৌকিক এক গল্প; আর শ্রীলঙ্কা ও পাকিস্তান হলো বিপর্যয়গাথা। পাকিস্তানের বৈদেশিক ঋণ এখন ১৩০ বিলিয়ন মার্কিন ডলারেরও বেশি। একই সঙ্গে মুদ্রাস্ম্ফীতি সেখানে কোনো বাঁধ মানছে না। গত তিন বছর ধরে উন্নয়ন সেখানে থমকে আছে। রুপির ধারাবাহিক অবমূল্যায়ন, ক্রমহ্রাসমান বৈদেশিক মুদ্রাভান্ডার, ক্রমবর্ধমান দ্রব্যমূল্য ও রাজস্ব ঘাটতির কারণে পাকিস্তানের অর্থনীতি ইতোমধ্যে ভঙ্গুর দশায় পড়েছে। শুধু যে পাকিস্তানি রুপির অবমূল্যায়ন ঘটেছে, তা নয়; দেশটির অর্থনীতির চাকা গত তিন বছর ধরে প্রায় অচল হয়ে আছে। সাম্প্রতিক রাজনৈতিক অস্থিরতার কারণে দেশটির ব্যবসা-বাণিজ্য ও শিল্পোৎপাদন মারাত্মক ব্যাহত হয়েছে।

শ্রীলঙ্কার সামনে বর্তমানে কী কী অর্থনৈতিক চ্যালেঞ্জ আছে, সে সম্পর্কে বলতে গিয়ে অর্থনৈতিক বিশ্নেষক জন রোজারিও বহু বিষয় উল্লেখ করেছেন, যেখান থেকে আগ্রহী যে কোনো দেশ শ্রীলঙ্কার বর্তমান ও ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা সম্পর্কে জানতে পারেন এবং নিজেদের জন্য শিক্ষাও গ্রহণ করতে পারেন। রোজারিও বলেছেন, 'শ্রীলঙ্কা বহু মেগা প্রকল্প গ্রহণ করেছে। এগুলোর মধ্যে আছে সমুদ্রবন্দর, বিমানবন্দর, সড়ক ও অন্যান্য প্রকল্প। এ প্রকল্পগুলোর মধ্যে বেশ কয়েকটি প্রকল্প এখন অপ্রয়োজনীয় ও বাতিল বলে গণ্য হচ্ছে। এসব প্রকল্পের নামে একেক সরকার দেশি ও বিদেশি বিভিন্ন উৎস থেকে ঋণ নিয়েছে। তারা তা করেছে অনেকটা বাছবিচারহীনভাবেই। ফলে বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ ক্রমশ কমে এসেছে। অর্থনীতিবিদদের মতে, গত ১৫ বছরে শ্রীলঙ্কা একরত্তি পরিমাণ বিদেশি বিনিয়োগও টানতে পারেনি। বিদেশি বিনিয়োগ টানার বদলে সরকারগুলো বরং ঋণ সংগ্রহের ওপর বেশি নজর দিয়েছে।'

তবে বর্তমানে শ্রীলঙ্কা একটু হলেও পাকিস্তান ও নেপালের চেয়ে ভালো অবস্থানে আছে। এ কথা বলার কারণ হলো, দেশটি সম্প্রতি ভারত ও চীনের কাছ থেকে ঋণ পরিশোধের প্রক্রিয়াটি পুনর্বিন্যাসের সুযোগ পেয়েছে; আইএমএফের কাছ থেকেও দেশটি কিছু জরুরি সহায়তা পাচ্ছে। এসব পাওয়ার কারণে শ্রীলঙ্কার জন্য একটু শ্বাস ফেলার সুযোগ তৈরি হচ্ছে। এ সময়টাতে দেশটি তার অর্থনীতিকে আবার ট্র্যাকে তোলার দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা প্রণয়নের সুযোগ পাবে। তা করতে গিয়ে শ্রীলঙ্কা বাংলাদেশের কাছ থেকে শিখতে পারে- দেশটি তৈরি পোশাকসহ বহু শিল্প ও কৃষিপণ্য রপ্তানি কীভাবে বাড়িয়েছে; একই সঙ্গে কোন প্রক্রিয়ায় এসব খাতে দেশি-বিদেশি বিনিয়োগ টানতে পেরেছে।

সাগিশ্বরা সেনাধিরা :শ্রীলঙ্কার প্রেসিডেন্ট সচিবালয়ের গবেষণা আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমবিষয়ক পরিচালক। দৈনিক সিলন টুডে থেকে ভাষান্তর করেছেন সাইফুর রহমান তপন, সমকাল।

 

More News

পদ্মা সেতু উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী পদ্মা সেতু উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী

স্বপ্ন পুরণের ঝিলিক লেগেছে প্রতিটি মানুষের মুখে। অবশেষে স্বপ্ন হলো সত্যি। চালু হলো বাঙালীর গর্ব পদ্মা সেতু।


আজ শনিবার (২৫ জুন) বেলা ১১টা ৫৮ মিনিটে লাখ লাখ মানুষের পদচারণা মুখর ও খুশির জোয়ার লাগা প্রমত্তা পদ্মা প্রান্তে সব অপেক্ষার অবসান ঘটিয়ে অবশেষে বহুল প্রতিক্ষিত পদ্মা সেতুর উদ্বোধন ঘোষণা করেন দেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।


হাজার বছরের শ্রেষ্ঠ স্থাপনাটি উদ্বোধনের মধ্য দিয়ে উম্মোচন হলো যোগাযোগ ব্যবস্থায় নতুন দ্বার। খুলে গেলো বহুমুখি অর্থনৈতিক বিকাশের নতুন দিগন্ত। অবসান হলো প্রমত্তা পদ্মা পাড়ি দেয়ার হাজা........ বিস্তারিত

পদ্মা সেতুর নিরাপত্তায় সেনাবাহিনী পদ্মা সেতুর নিরাপত্তায় সেনাবাহিনী

মামুন উর রশীদ :: জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বাংলাদেশের যোগাযোগ ব্যবস্থাকে সহজতর করার লক্ষ্যে দেশের বৃহৎ নদীসমূহের ওপর দিয়ে সেতু নির্মাণ করার স্বপ্ন দেখেছিলেন। সেই স্বপ্ন বাস্তবায়নে তাঁর সুযোগ্যকন্যা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ২০০১ সালের ৪ জুলাই মানুষের স্বপ্নের পদ্মা বহুমুখী সেতু প্রকল্পের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন এবং ২০১৫ সালে দেশের নিজস্ব অর্থায়নে পদ্মা সেতুর নির্মাণ কাজ শুরু করার দূরদর্শী ও বলিষ্ঠ সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেন। জাতির আস্থার প্রতীক বাংলাদেশ সেনাবাহিনী স্বাধীনতা পরবর........ বিস্তারিত

সেতুর চেয়েও বড় সেতুর চেয়েও বড়

ওবায়দুল কবির :: বিশ্বের কোন প্রকল্প নিয়ে এত আলোচনা হয়নি। পড়তে হয়নি এত প্রতিরোধের মুখে। এত ষড়যন্ত্র, অভিযোগ, নেতিবাচক বক্তব্য, গুজব-যেন রূপকথার গল্প। আবার কখন যে নেতিবাচক বক্তব্য ধীরে ধীরে ইতিবাচক হয়ে উঠেছে, ‘তোমার’ থেকে হয়ে গেছে ‘আমাদের’, শুরু হয়েছে কৃতিত্ব নেয়ার প্রতিযোগিতা, তাও এক বিস্ময়। পদ্মা সেতুর কথাই বলছি। এটি শুধু একটি রড-কংক্রিট-ইস্পাতে নির্মিত সেতু নয়, সেতু থেকে আরও বড় কিছু। বাঙালীর আবেগ, উন্নত জীবনের স্বপ্ন, উন্নয়নের উপাখ্যান, অনন্য ভালবাসা, আরও অনেককিছু। আজ এই বহুল আলোচিত সেতুর উদ্বোধনের দিন। কোট........ বিস্তারিত

চ্যালেঞ্জ জয়ে স্বপ্ন পূরণ, পদ্মা সেতু উদ্বোধনের সেই মাহেন্দ্রক্ষণ আজ চ্যালেঞ্জ জয়ে স্বপ্ন পূরণ, পদ্মা সেতু উদ্বোধনের সেই মাহেন্দ্রক্ষণ আজ

কাওসার রহমান :: স্বপ্ন এখন সত্যি। এদেশের মানুষ দীর্ঘ সাত বছর ধরে যে স্বপ্ন দেখছিল, পদ্মা নদীর ওপরও সেতু হবে, সেই স্বপ্ন এখন আর স্বপ্ন নয়, দৃশ্যমান বাস্তবতা। পুরো জাতির স্বপ্ন পূরণ হচ্ছে আজ। সব প্রস্তুতিও সম্পন্ন। উদ্বোধন হচ্ছে আজ শনিবার সকাল ১০টায়। শেষ হচ্ছে অপেক্ষার দীর্ঘ প্রহর। যে স্বপ্ন নিয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ২০১৫ সালের ডিসেম্বরে মূল সেতুর নির্মাণ ও নদীশাসন কাজের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেছিলেন, তাঁর হাত দিয়েই আজ উদ্বোধন হতে যাচ্ছে স্বপ্নের পদ্মা সেতুর। এর সকল কৃতিত্ব জাতির পিতা বঙ্গবন্ধুকন্যা প্রধানমন্ত্রী শেখ হা........ বিস্তারিত

দেশের অগ্রযাত্রা আর কেউ থামাতে পারবে না - প্রধানমন্ত্রী দেশের অগ্রযাত্রা আর কেউ থামাতে পারবে না - প্রধানমন্ত্রী

প্রধানমন্ত্রী ও সংসদ নেতা শেখ হাসিনা দেশের মানুষের যে কোন ত্যাগ স্বীকারে তাঁর সবসময় প্রস্তুত থাকার কথা উল্লেখ করে বলেছেন, সরকারের ধারাবাহিকতা নিয়ে দেশ চলতে থাকলে এদেশের অগ্রযাত্রা আর কেউ থামাতে বা রুখতে পারবে না। আর ধারাবাহিক গণতন্ত্র আছে বলেই বাংলাদেশের উন্নতি হচ্ছে। দেশ এগিয়ে যাচ্ছে। গণমানুষের সমর্থন নিয়ে আমরা পদ্মা সেতুর নির্মাণ নিজেদের অর্থায়নে করতে পেরেছি। ঠিক এভাবেই বাংলাদেশ এগিয়ে যাবে। আর কখনও বাংলাদেশ পরমুখাপেক্ষী হবে না, কারো কাছে হাত পেতে চলবে না। বাংলাদেশের জনগণকে আমি স্যালুট করি। ইনশাআল্লাহ, জনগণের সেবা ক........ বিস্তারিত

আগামী নির্বাচনে জনগণ নৌকাই বেছে নেবে - আওয়ামী লীগ সভানেত্রী আগামী নির্বাচনে জনগণ নৌকাই বেছে নেবে - আওয়ামী লীগ সভানেত্রী

প্রধানমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগ সভানেত্রী শেখ হাসিনা আগামী নির্বাচনেও দেশের জনগণ নৌকাকে বেছে নেবে এমন দৃঢ় আশাবাদ ব্যক্ত করে বলেছেন, দেশের যা কিছু অর্জন তা আওয়ামী লীগের হাত ধরেই এসেছে। বিএনপির হৃদয়ে তো পাকিস্তান, এরা দেশের ভাল চাইবে না এটাই স্বাভাবিক। আওয়ামী লীগ প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকেই জনগণের ভাগ্য পরিবর্তনে কাজ করে আসছে। দেশবাসীও জানে নৌকা আওয়ামী লীগের প্রতীক, উন্নয়নের প্রতীক- সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়তে তাই নৌকা ছাড়া তাদের বিকল্প নেই, গতি নেই। কেননা আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় এসেছে নিজের ভাগ্য গড়ার জন্য নয় বরং মানুষের ভাগ্য গড়তে। জন্মলগ্ন থেক........ বিস্তারিত

শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে মাস্ক পরার নির্দেশ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে মাস্ক পরার নির্দেশ

দেশে আবারও করোনার সংক্রমণ বেড়ে যাওয়ায় শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের মাস্ক পরা স্বাস্থ্যবিধি অনুসরণের নির্দেশ দিয়েছে মাধ্যমিক উচ্চ শিক্ষা (মাউশি) অধিদপ্তর বৃহস্পতিবার (২৩ জুন) মাউশির সহকারী পরিচালক (প্রশাসন) রূপক রায়ের সই করা নির্দেশনা থে........ বিস্তারিত

২৩ জুন, ২০২২ : ১৪.৩২ হারে আজ শনাক্ত ১৩১৯ ২৩ জুন, ২০২২ : ১৪.৩২ হারে আজ শনাক্ত ১৩১৯

২৪ ঘণ্টায় ৯ হাজার ২১৮টি নমুনা সংগ্রহ করা হয়। পরীক্ষা করা হয় ৯ হাজার ২১৪টি নমুনা। এতে নতুন করে করোনা শনাক্ত হয়েছে ১ হাজার ৩১৯ জনের। পরীক্ষার বিপরীতে শনাক্তের হার ১৪ দশমিক ৩২ শতাংশ। মহামারীর শুরু থেকে এ পর্যন্ত মোট শনাক্তের হার ১৩ দশমিক ৭৫ শতাংশ।


গত ২৪ ঘণ্টায় (বুধবার সকাল আটটা থেকে বৃহস্পতিবার সকাল আটটা পর্যন্ত) করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন এক হাজার ৩১৯ জন। এই সময়ের মধ্যে মৃত্যু হয়েছে একজনের। ফলে মোট মারা যাওয়ার সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ২৯ হাজার ১৩৫ জনে। আর মোট শনাক্ত রোগীর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১৯ লাখ ৬০ হাজার ৫২৮ জনে। শনাক্তের হার ১৪ ........ বিস্তারিত

বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে প্রধানমন্ত্রীর শ্রদ্ধা বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে প্রধানমন্ত্রীর শ্রদ্ধা

বৃহস্পতিবার (২৩ জুন) বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের ৭৩তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উপলক্ষে জাতির পিতা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, ‘এবার বন্যাটা একটু বড় আকারে আসবে এমন আশঙ্কার কথা